আবৃত্তি শিল্পী ও আবৃত্তিপ্রেমীদের সংগঠন বাংলাদেশ আবৃত্তি শিল্প রক্ষা কন্ঠ আজ ৩০ মার্চ সোমবার সকালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার নিকট স্মারক লিপি প্রদান করেছেন । অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্প রক্ষা কণ্ঠ এর ব্যনারে এ স্বারকলিপি দেয়া হয়। এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহি কবিতার বিদ্রোহের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে ইতিহাসের নানা আন্দোলন- সংগ্রামে নানা কবিতার আবৃত্তি গণমানুষকে উদ্দীপ্ত করেছে। জানান, আবৃত্তি শিল্পের মাধ্যমে মানুষের মাঝে যে উদ্দীপনা তৈরী করা যায় তা অনন্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাইদুর রহমান পাটোয়ারী, জাওয়াদুল করিম, লতিফা আনসারী রুনা, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, নাজমুল আলিম সাদেকী, কাজী মাজহারুল হক, এমদাদুল ইসলাম রুবেল, আফরিন নিগার পুষ্প, অনিক কানুনগো, সঞ্জীব দে বাবু, মো. আদম শফিউল্লাহ মিজভি। পরে আবৃত্তিশিল্পের বিকাশে সর্বোচ্চ সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে এবং দ্রুততার সাথে স্মারকলিপি মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হবে জানান, জেলা প্রশাসক।
এর আগে, গত ২৪ মার্চ সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে আবৃত্তিপ্রেমীরা স্বতন্ত্র আবৃত্তিবিভাগের দাবী তুলে ধরেন। এসময় তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি অধ্যাদেশ ২০২৬ সংশোধন করে আবৃত্তি বিভাগ যুক্ত করাে আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, গত অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তড়িঘড়ি করে ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ তড়িঘড়ি করে জারি করা হয়। এই সংশোধনীতে সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক ও চারুকলার মতো বিভাগ থাকলেও আবৃত্তি বিভাগকে বাদ রাখা হয়। এরপর থেকেই সারাদেশের আবৃত্তিশিল্পীরা এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও দাবী জানিয়ে আসছেন।
আবৃত্তিপ্রেমীদের আশা, সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে শিল্পকলা একাডেমির সাংগঠনিক কাঠামোতে আবৃত্তিকে একটি স্বতন্ত্র মর্যাদা প্রদান করা হবে।
মন্তব্য করুন